যুবক পরিবারের পক্ষ থেকে
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ,
মিডিয়ার বিবেকবান কর্মীবৃন্দ এবং সম্মানিত দেশবাসী সর্ব-সাধারনের প্রতি
আকুল আবেদন
লুটেরা, বিশ্বাস-ঘাতক, প্রতারক চিশতির হাত থেকে
ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ -কে রক্ষা করুন।
আমাদের ন্যায্য পাওনা আদায়ের এই সংগ্রামে আমাদের পাশে দাড়ান।
আপনারা অবগত আছেন যে, ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ -এর উন্নয়ন ও পরিচালনার জন্য এর উদ্যোক্তা জনাব কে.বি.এম মইনুদ্দিন চিশতি ২০০৫সালের ৩০ নভেম্বর যুব কর্মসংস্থান সোসাইটির সাথে একটি যৌথ-চুক্তি স্বাক্ষর করেন এবং চুক্তির শর্ত অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও পরিচালনার জন্য
১৩ কোটি টাকা যুবকের নিকট থেকে গ্রহণ করেন। এই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এর পরিচালনা পরিষদে যুবকের ৮০% এবং চিশতির ২০% প্রতিনিধিত্ব স্বীকৃত হয়।
-এর
৮০% মালিকানা শেয়ার যুবকের
সে অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়টি পরিচালনার জন্য একটি যৌথ গভার্নিং-বডি গঠণ করা হয়। বলা আবশ্যক যে, ২০০৫ সালে যুবকের অংশ নেয়ার পর থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত যৌথ পরিচালনা পরিষদের নেতৃত্বে ৩ বছরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টির যে উন্নয়ন সাধিত হয়েছে তার কিছু নমুনা তুলে ধরা হলো :
|
২০০৫ সাল |
২০০৯ সাল |
ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা |
৬১৮ জন |
প্রায় ৩,০০০ জন |
লাইব্রেরীর বই ক্রয় |
৪.০ লক্ষ টাকার বই |
১০.০ লক্ষ টাকার বই |
কম্পিউটার সংখ্যা |
১২টি |
৫০টি |
এসি সংখ্যা |
৮টি |
৪০টি |
খাবার ক্যান্টিন |
ছিলনা |
করা হয়েছে |
ক্যাম্পাস এলাকা (বর্গফুট) |
৮,০০০ বর্গফুট |
৩০,০০০ বর্গফুট |
কমন রুম |
ছিলনা |
ছাত্র-ছাত্রীদের পৃথক ২টি |
মাসিক গড় আয়-ব্যয় |
মাসিক গড় = ৮ লক্ষ টাকা |
মাসিক গড় = ৪৫ লক্ষ টাকা |
বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অগ্রগতিতে চিশতি ঈর্ষান্বিত ও পথভ্রষ্ট হয়ে পড়ে এবং অতিমাত্রায় লোভী হয়ে উঠে। দু:খজনক হলো, ২০০৯ সালে যখন যুবকের শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন গ্রেফতার হন, বিশ্বাস-ঘাতক এই চিশতি যুবকের দুর্বলতার সুযোগে চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে, সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃত্ব দখল করে নেয়।
বিষয়টির সমাধানের জন্য প্রতারক চিশতির সাথে যুবকের পক্ষ থেকে দফায়-দফায় আলোচনা করা হয়,
শতবার ফোনালাপ করা হয়। প্রতিবারই সে এর সমাধান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, কিন্তু কোন ফলপ্রসূ
সমাধানে না এসে অসৎ উদ্দেশ্যে সময় ক্ষেপন করে এসেছে।
গত কিছুদিন পুর্বে আমরা লোকমুখে অবগত হই, তিনি তার অনূগত ব্যক্তিগনের সমন্বয়ে একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করেছেন।যুবককে না জানিয়ে একতরফাভাবে, গোপনে তিনি যা করেছেন তা সম্পূর্ণভাবে বে-আইনী, প্রতিশ্রুতি-ভঙ্গ, বিশ্বাস-ঘাতকতা, অন্যায়, প্রতারনা এবং আত্মসাৎ করার শামিল।
সকলেই অবগত আছেন যে, ২০০৫ সালে যুবকের ১৩ কোটি টাকা বিনিয়োগের ফলেই ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ২০০৫ সালে পুন:গঠিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছে এবং আজ অবদি চলমান রয়েছে।
ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটির মালিকানা ও পরিচালনা কুক্ষিগত করার হীন উদ্দেশ্যে চুক্তি ভংগ করে, গোপনে, একক সিদ্ধামেত্ম ও একতরফাভাবে নিজের অনুগত ব্যক্তিগনের সমন্বয়ে গঠিত ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ট্রাষ্ট নামের অবৈধ ট্রাষ্টটি অনতিবিলম্বে বাতিল করার বিষয়ে গত ০১.০৯.২০১৩ তারিখে যুবকের পক্ষ থেকে তাকে পত্র মারফত অনুরোধ জানানো হয়। কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করায় ১৯.০৯.১৩ তারিখে একই বিষয়ে ২য় পত্রের মাধ্যমে তাকে পুনরায় অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আমরা যুবকের বিনিয়োগকারী পাওনাদারগন জনাব চিশতির প্রতি আহবান জানাচ্ছি, আমাদের বিনিয়োগে গড়ে ওঠা পবিত্র এই প্রতিষ্ঠানটিকে ধ্বংশের মুখে ঠেলে দিবেন না। এর রক্ষায় এগিয়ে আসুন এবং অনতিবিলম্বে
এই অবৈধ ট্রাষ্ট বাতিল করে চুক্তির আলোকে ট্রাষ্টি বোর্ড গঠন করুন।
লুটেরা চিশতিকে আমরা আবারো অনুরোধ জানাতে চাই
সমঝোতার এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে আমরা আমাদের পাওনা আদায়ের জন্য
যা যা করার সব করবো।
সভা-সমাবেশ, ঘেরাও, মামলা সহ যা যা করার সবই করতে বাধ্য হবো।
যুবকের বিনিয়োগকারী পাওনাদারদের সমন্বয় কমিটির পক্ষ্যে
সুফিয়া আক্তার খুকু, ঢাকা হেনা বেগম, ঢাকা রেহানা বেগম, ঢাকা হালিমা খাতুন, না.গজ্ঞ
রফিকুল ইসলাম তালুকদার, ঢাকা রেনু আক্তার, গাইবান্ধা মুক্তি বেগম, বগুড়া ইউসুফ দিদার, চট্টগ্রাম এডভোকেট পিনু আক্তার, কুমিল্লা মাসুমা বেগম, ঢাকা জেসমিন আক্তার, বরিশাল রুবেল, ফেনী জান্নাতুল ফেরদৌস কাজল, ঢাকা রাশিদা আক্তার, বরিশাল আব্দুল কাদের, বরিশাল শিরিন আক্তার, খুলনা আব্দুর রাজ্জাক রাজু, ঢাকা আকাশ, কুমিলস্না বাহার, না.গন্জ শাহীন, মুন্সিগন্জ তাসলিমা, মুন্সিগন্জ কমলা রানী, ঢাকা সুনীল কুমার, ঢাকা আসগর, ঢাকা
৫৪ পুরানা পল্টন, বি.কে.টাওয়ার, ঢাকা ১০০০ থেকে প্রকাশিত ও প্রচারিত।
e-mail: jubok1997.bd@gmail.com : jubok2014@yahoo.com
website: www.jubokmembers.com |