২০০৬ সালে প্রতিহিংসার শিকারে পরিণত যুবক পরিবারের
দায়-মুক্তির টার্গেট : ২০১৪ সাল

যুব কর্মসংস্থান সোসাইটি

লাখো মানুষের স্বপ্নের সম্মিলন

সূত্র : যু.ক.সো/ চিঠি/ মে-২০১৩/ ২৬৯,       
তারিখ : ০৯.০৫.২০১৩ ইং

 

বিষয় : গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধ, দায়-মুক্তি ও উত্তরন প্রসঙ্গে

 

সম্মানিত দায়িত্বশীল ভাই-বোনেরা, আস্ সালামু আলাইকুম।
আপনারা অবগত আছেন যে, মহান আল্লাহ্ তায়ালার মেহেরবাণীতে যুবক পরিবারের কর্মীদের ত্যাগ ও অক্লান্ত পরিশ্রম, সদস্যদের অসীম
ধৈর্য্য ও সহযোগিতা এবং সরকারের গঠনমুলক মনোভাবের ফলে দায় পরিশোধ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা সম্ভব হয়েছে। এজন্য যুবক পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা এবং আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

দায়িত্বশীল ভাই-বোনেরা
আমরা প্রত্যয়ের সাথে জানাতে চাই, দায় পরিশোধে যুবক পরিবার দৃঢ়-প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। দায় পরিশোধের অঙ্গীকার আছে বলেই ২০০৬ সালে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শো-ক’জ নোটিশ পরবর্তী হামলা-মামলা, জেল-জুলুম, নির্যাতন সহ্য করে দীর্ঘ ৭টি বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও যুবক দায়-দেনার কথা যেমন অস্বীকার করেনি তেমনিভাবে দায পরিশোধের প্রতিশ্রূতি থেকে সরেও দাঁড়ায়নি।

যুবক পরিবার মনে করে, এই দায় যুবকের সৃষ্টি এবং যুবকের সম্পদ ও প্রকল্পগুলোর সচলায়ন ও যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে এই দায় পরিশোধের দায়িত্বও যুবকের। আমরা আশা করেছিলাম, সরকার গঠিত কমিশন এর সহযোগিতা নিয়ে আমাদের উত্তরন সম্ভব হবে, কিন্তু বাস্তবে তা আশায় গুড়ে বালি। আসলে, দায় পরিশোধের জন্য যা কিছু করার তা সবই আমাদেরকে করতে হবে। জমি, প্লট, কোম্পানির
শেয়ার এবং নগদ টাকা বিতরণের (যেখানে যা প্রযোজ্য) মাধ্যমে দায় পরিশোধের কাজ আমরা সফল করে তুলবো, ইনশা আল্লাহ্।

দৃঢ়তার সাথে এ কথা বলা যায় যে, দুর্ভাগ্যজনক ১/১১ না এলে যুবক- ২০০৭ সালেই ঘুরে দাঁড়াবার মতো অবস্থায় চলে এসেছিল। আপনারা জানেন যে, ২৪ মে’০৬ তারিখে যুবক -এর একটি আর্থিক কার্যক্রমকে অবৈধ ব্যাংকিংয়ের অভিযোগ এনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দেয়া শো-ক‘জ নোটিশ নিয়ে কতিপয় মিডিয়া হোলি-খেলায় মেতে ওঠে। যুবক ৬ মাসের উত্তরন-প্রচেষ্টায় একটি স্থিতিশীল পরিবেশ তৈরী করেছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্যবসত ১/১১ এর সামরিক সমর্থিত সরকারের ২ বছর মেয়াদের পুরো সময়টা জুড়ে DGFI, টাস্ক-ফোর্স, RAB, পুলিশসহ নিরাপত্তা বাহিনীর নির্যাতনে সারাদেশের সংগঠন, জনশক্তি, নেটওয়ার্ক- সবই ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে যায়। যা শত চেষ্টা করেও আর পুণর্গঠন করা সম্ভব হয়নি।

নিরপরাধ, নিরীহ সাধারণ সদস্যদের দু:খ-কষ্টের জন্য আমরা দু:খিত এবং ক্ষমাপ্রার্থী। প্রতিহিংসার আক্রমণে আক্রান্ত যুবকের নিরপরাধ, নিরীহ সাধারণ সদস্যদের সুখ-শান্তি বিনষ্ট হয়েছে। আমরা তাদের চাহিদানুযায়ী সমর্থন-সহযোগিতা করতে পারিনি। আসলে, যুবকের মতো একটি নিয়মতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের জন্য যা করার ছিল, আমরা শুধু তাই করেছি, অর্থাৎ আমরা রাষ্ট্রের নির্দেশনাকে চ্যালেঞ্জ না করে নিয়মতান্ত্রিক ভাবে মেনে নিয়েছি। আমরা জানি যে, আমরা জেনে-বুঝে কোন অন্যায় করিনি। আমাদের এই দুঃখ কষ্টের জন্য আমাদের সাথে সরকার, সুশীল সমাজ ও সাংবাদিক সমাজের মধ্যে কমিউনিকেশন গ্যাপটাই অনেক বেশি দায়ী।

ফলশ্রুতিতে, যুবকের ক্ষুদ্রঋণ ও প্রকল্প-ঋণ কার্যক্রম সহ আর্থিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় এবং মাঠে অনাদায়ী হিসাবে আটকে পড়ে প্রায়
১৬৪ কোটি টাকা। পাশাপাশি, যুবক হাউজিং-এর প্লট গ্রহীতাদের প্রায় ১০ কোটি টাকার মাসিক কিস্তি আদায়, যুবক ফোনের মাসিক আয়
৩.৫ কোটি টাকা এবং অন্যান্য প্রকল্পগুলোর আরো প্রায় ৫ কোটি টাকার মাসিক আদায়, সব মিলিয়ে প্রায় ২০ কোটি টাকার মাসিক যোগান বন্ধ হয়ে যায়। এ ছাড়াও, যুবক ফোন -এর ৩০০ কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ চুক্তি বাতিল হয়। ফলে, ৪০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়। ‘লভ্যাংশ সহ ফেরত দিতে হবে’- বাংলাদেশ ব্যাংকের এই নির্দেশনা মানতে যেয়ে ১,০০০/১,২০০ কোটি টাকার অতিরিক্ত দায় কাঁধে চেপে বসে। ২০০৬ সালের ৭০০/৭৫০ কোটি টাকার দায় ২০১২ সালে বেড়ে ২,০০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। 

২০০৬ সালে যুবকের সদস্যদের বিনিয়োগ ছিল ৭০০/ ৭৫০ কোটি টাকা
ক্যাটালিষ্টের ভুমিকায় যুবক গড়ে তোলে বড়-মাঝারি-ছোট মিলিয়ে ৪০টি শিল্প-বানিজ্যি প্রতিষ্ঠান এবং ক্ষুদ্র-ঋণের প্রায ৩,০০০টি প্রকল্প। এদের মধ্যে বৃহৎ বিনিয়োগ ক্ষেত্র Telebarta Ltd. (যুবক ফোন) এবং হাউজিং। এ খাতে বিনিয়োগ করা হয় ৫০০-৫৫০ কোটি টাকা।

অন্যান্য বিনিয়োগ ক্ষেত্রগুলো হচ্ছে : IFIC ব্যাংকের শেয়ার, Rtv- এর ৫৮% মালিকানা শেয়ার, ৪টি মৎস্য হ্যাচারি, ফার্মাসিউটিক্যাল এর ৩৪% মালিকানা শেয়ার, ২টি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির স্পন্সরশীপ, যুবক হাউজিংয়ের ক্রয় করা বাড়ি, মার্কেট এবং জমি। কৃষি খামার, রাবার বাগানে বিনিয়োগ, হিমায়িত মাছ রপ্তানী, প্রিন্ট-মিডিয়ার শেয়ার, চামড়াজাত পণ্য-রপ্তানীতে বিনিয়োগ, মেডিক্যাল সার্ভিস, যুবক প্রিন্ট-শাড়ী, চেইন-মার্কেটিং, বিষমুক্ত সবজী উৎপাদন, প্রশিক্ষন একাডেমী, নারী উন্নয়ন, শিশু প্রতিভা বিকাশ, পরিবার পরিকল্পনা, শিক্ষা বৃত্তি, পোল্ট্রি খামার, ট্যুরিজম, ট্রাভেলস এজেন্সি, ICT প্রকল্প, পুঁজিবাজার সহ কর্মসংস্থান সহায়ক প্রকল্পগুলোও গ্রহণ করা হয়।   

সম্মানিত দায়িত্বশীল, শুণ্য থেকে যারা হাজার কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তুলতে পারে, দায় সৃষ্টি করতে পারে, তারাই এখন শত-কোটি টাকার সম্পদের উপর দাঁড়িয়ে হাজার কোটি টাকার দায়-শোধ করতে পারবে, এতে আশ্চর্য হবার কিছু নেই।

আপনারা জানেন যে, যুবক সামাজিক-পুঁজি গঠন পদ্ধতিতে পরিচালিত একটি দেশীয় শিল্প-বানিজ্য উদ্যোগ। যুবক দেশের টাকায় দেশের লাখো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে একটি সম্মিলিত প্রয়াস। যুবক-এর সকল সম্পদ স্থানীয়ভাবে ক্রয়কৃত এবং স্থানীয় ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত। যুবক-এর নামে টাকা পাচার, মানি লন্ডারিং, কর ফাঁকি, অবৈধ বা অনৈতিক অপরাধের অভিযোগ নেই। যুবক-এর প্রকল্পগুলো সম্ভাবনাময় ও লাভজনক এবং শ্রমঘন ও কর্মসংস্থানমূখী। যুবক কর্মকর্তারা দায় অস্বীকার করেনি, টাকা পাচার করেনি, পালিয়ে দেশ ছাড়েনি বরং প্রত্যয় ও প্রতিশ্রুতি নিয়ে জেল-জুলুম, নির্যাতন সহ্য করে দায়-পরিশোধের কাজ করে যাচ্ছে।

জুলাই’০৬ থেকে চলমান দায় পরিশোধ ও উত্তরণ কার্যক্রমের সারাংশ :
দায়ের বিপরীতে এ যাবৎ নগদ টাকা বিতরণ করা হয়েছে ২০০ কোটির অধিক এবং ৫০০ কোটি টাকার দায়ের বিপরীতে ৫,৫০০টি প্লট প্রদান করা হয়েছে। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান/ কোম্পানী গুলোর শেয়ার ও সংশ্লিষ্ট সম্পদগুলো হস্তান্তরের মাধ্যমে ৫০০ কোটি টাকা দায় পরিশোধ সংশ্লিষ্ট আইনী-কাজ শুরু হয়েছে। বেদখল, লুট-পাট, হামলা-মামলা এবং কোম্পানী বন্ধ হওয়ার কারনে এর বাস্তবায়ন বিলম্ব হচ্ছে।

চলতি বছর জমি হস্তান্তর, নগদ টাকা বিতরণ বাণিজ্যিক কোম্পানীর শেয়ার বিতরণের মাধ্যমে ৫০০ কোটি টাকার দায় পরিশোধের কাজ ব্যাহত হয়েছে কমিশনের অসহযোগিতার কারনে। তারপরও, ২০১৪ সাল নাগাদ সকল দায় পরিশোধের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপশি, কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রয়োজনে এতদসংক্রান্ত তথ্য ও নথি সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই ও সংরক্ষণের কাজ (ডিড/ ডকুমেন্টস) কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনায় নথিভুক্ত করার কাজ চলমান রয়েছে।

নিম্নোক্ত তথ্যগুলো এই ওয়েব সাইটে সংযুক্ত করা হয়েছে : www.jubokmembers.com
ক. দায়ের বিপরীতে নগদ টাকা প্রাপ্ত ২ লক্ষ গ্রাহকের তালিকা ;  খ. দায়ের বিপরীতে ৫,০০০ প্লটট গ্রহীতার তালিকা ;  গ. দায়ের বিপরীতে সমন্বয়কৃত ৩৮,০০০ ডিড/ ডকুমেন্টস এর তালিকা।

নিন্মোক্ত সমস্যাগ্রস্ত ইস্যূ গুলো সম্পর্কে কমিশনকে তথ্য প্রদান করে সহযোগিতা চাওয়া হয়। কমিশন অপারগতা প্রকাশ করায় বিষয়গুলো ঝুলে রয়েছে : ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, Rtv, পুরানা পল্টন লেনে অবস্থিত ২২ শতক জমি ও ১কোটি টাকার বকেয়া ভাড়া, পুরানা পল্টনের অ-সমাপ্ত বি.কে.টাওয়ার, তেজগাঁয়ের ৫০ শতক জমি১কোটি টাকার বকেয়া ভাড়া,ভোলার ২০ কোটি টাকার জমি, বরিশালের মার্কেট ও জমি, ঝালকাঠির জমি- মিলিয়ে প্রায় ৬০-৭০ কোটি টাকার সম্পদ, সিলেটের ১০ কোটি টাকার জমি,জালকুঁড়ির ২০ কোটি টাকার জমি, খুলনার বাড়ি ও জাবুসার জমি এবং ২০০০ শতক জমিতে নির্মিত বাগেরহাটের হ্যাচারী মিলে প্রায় ৫০কোটি টাকার সম্পদ, ইত্যাদি মিলে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার জমি-সম্পদ সমস্যাগ্রস্ত হয়ে পড়ে আছেগুলোর সমাধান আমাদেরকেই করতে হবে।

উত্তরন প্রক্রিয়ার মুল কথা :
যুবক- একটি নেটওয়ার্ক ভিত্তিক আর্থ-সামাজিক প্রতিষ্ঠান। তাই, দায় পরিশোধ প্রচেষ্টার স্বার্থে এর নেটওয়ার্ক সক্রিয় করা প্রয়োজন। নেটওযার্ক সক্রিয় করার স্বার্থে যতটুকু আর্থিক প্রবাহ সৃষ্টি করা দরকার হবে, ততটুকুই করতে হবে। এর ব্যাপ্তি কী হবে, কত টাকার টার্গেট হবে, কোন ধরনের কার্যক্রম হবে- এ সবই আপেক্ষিক। স্থানীয় নেতৃত্বের সামর্থ্য, যোগ্যতা-দক্ষতা এবং জনশক্তির ধৈর্য-সহনশীলতা, একাত্মতার মাত্রানুযায়ী কার্যক্রম নিতে হবে। প্রাতিষ্ঠানিক পুরাতন অবকাঠামো ছাটাই-বাছাই করে একটি কার্যকর অবকাঠামো গড়ে তোলা,  এলাকা ভিত্তিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা, দায়-দেনা পরিশোধ প্রক্রিয়া গতিশীল করা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, নিয়মিত যোগাযোগের স্বার্থে ইন্টারনেট, পত্রালাপ, নোটিশ, সার্কুলার, ফোন-ইত্যাদির পাশাপাশি সভার আয়োজন অব্যাহত রাখা, ব্যবসায়িক কার্যক্রমের মাধ্যমে আর্থিক প্রবাহ সৃষ্টি করা- ইত্যাদি নির্ধারন করা প্রয়োজন। পরিমান মুখ্য নয়, ফিজিবল পজিশনের লক্ষ্যে ধারাবাহিক আর্থিক প্রবাহটাই বেশী বিবেচ্য হবে। সময় উপযোগী এবং স্থান-কাল-পাত্র ভেদে আপেক্ষিক একটি পরিকল্পনা সাজিয়ে নিতে হবে।

আমরা স্বীকার করে নিচ্ছি যে, এই দায় আমরা সৃষ্টি করেছি এবং এই দায় মোচনের দায়িত্ব আমাদের। তাই, বিবেকের তাগিদে, এতোসব জেল-জুলুম, অপমান, হয়রানি সহ্য করেও আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে গত ৭টি বছর কাজ করে চলেছি এবং অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর বাকী কাজটাও করতে চাই, এর কোন বিকল্প নেই। তাই শত বাঁধা, প্রতিকূলতা আর সংকট মোকাবেলা করে এগিয়ে যেতে হবে, দায়মুক্ত হতে হবে।

এই প্রতিশ্রূতি বাস্তবায়নের জন্য এখন প্রয়োজন আপনাদের সকলের পরামর্শ, সহযোগিতা এবং অংশগ্রহন। ক. প্রাথমিকভাবে প্রয়োজন তথ্য, খ. পাশাপাশি আপনাদের ভাবনাগুলো আমাদের জানান,  গ. করনীয় ও বর্জনীয় বিষয়ে আপনাদের মতামত জানান। অর্থাৎ, দায়-দেনার পরিমান, প্রকৃতি, পরিশোধিত দায়ের বিবরন, দায় পরিশোধের জন্য স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় করনীয়, জনশক্তির সর্বশেষ অবস্থা, আমাদের জন্য সদস্যদের পরামর্শ, আয়-মুলক কাজের বিষয়ে স্থানীয় ও কেন্দ্রের জন্য পরামর্শ, অভিযোগ এবং তার প্রতিকারের পরামর্শ- ইত্যাদি লিখে পাঠানোর জন্য আপনাদের অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। আপনাদের প্রেরীত মতামত/তথ্যের আলোকে কার্যক্রমকে আরো উপযোগী ও কার্যকর ভাবে সাজাতে হবে। গত ৭টি বছরে সংঘটিত ন্যায়-অন্যায় সব কিছুর হিসাব হওয়া প্রয়োজন। আপনাদের অংশগ্রহন ব্যতীত এর কোন কিছুই অর্জন করা সম্ভব নয়।

আসুন, আমাদের সকলের দায়-মুক্তি ও উত্তরনের জন্য দোয়া প্রার্থনা করি। আপনাদের সুস্বাস্থ্য ও সর্বাঙ্গিন সাফল্য কামনা করছি।
যুব কর্মসংস্থান সোসাইটির পরিচালনা পরিষদের পক্ষে- নির্বাহী পরিচালক              

বিশেষ প্রয়োজনে : (অফিস দিবসে দুপুর ১২টা থেকে ১টা, ৩টা থেকে ৪টা )
জনাব হোসাইন আল মাসুম : ০১৬৮৯-৬৪৩৪৩৫   জনাব সৈয়দ রাশেদুল হুদা চৌধুরী : ০১৬৮৯-৩০১১৭০ 

৫৪ পুরানা পল্টন, বি.কে.টাওয়ার, ঢাকা-১০০০   মোবাইল: ০১৭২৪ ২৩৪ ৬৭৫
website: www.jubokmembers.com     e-mail: jubok1997.bd@gmail.com     facebook : jubok2014@yahoo.com